বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
পতেঙ্গায় ৫ লাখ টাকার চোরাই কয়লা জব্দ ঢাকায় ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাসুদ মধু গ্রেপ্তার বাঁশখালীতে দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী বিরোধ নিরসনে এমপি জহিরুলের মধ্যস্থতা ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির দাম কমলো ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সূচি আবারও পরিবর্তনের ইঙ্গিত ৮০ শতাংশ ছাড়, ডাক্তারের ফি না নেয়ার নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য নরওয়ের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসলামী ব্যাংকের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে ঝালকাঠিতে মানববন্ধন  জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও কর্মধারা আজও দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে : ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার চাঁপাইনবাবগঞ্জের দেবীনগর পিস ইন্টারন্যাশনাল ট্টাভেলস্ এজেন্সি শুভ উদ্বোধন

স্ত্রী পরিচয়ে একসঙ্গে বাস, বিয়ের কথা শুনে প্রেমিক লাপাত্তা

Reporter Name / ৪১ Time View
Update : শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৩

স্ত্রী পরিচয়ে প্রেমিক ফিরোজ আহম্মদের সঙ্গে বাসা ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করে আসছিলেন এক কলেজ ছাত্রী। এলাকার সবাই জানতেন, তারা স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু না। শুধুমাত্র প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাদের। পরে প্রেমিকা দাবি তোলেন বিয়ের। কিন্তু বাসা থেকে লাপাত্তা হন ওই যুবক।

বাধ্য হয়ে তার গ্রামের বাসায় এসে অনশন শুরু করেছেন ওই কলেজছাত্রী। শনিবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আলীপুর গ্রামে এসে এ অনশন শুরু করেন তিনি।

ফিরোজ আহম্মদ ওই গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে। বগুড়ার এক কলেজে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে অধ্যায়নরত তিনি। আর কলেজ ছাত্রীর বাসায় নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার দুরদুরিয়া গ্রামে। তারা বগুড়া সদরের মাটিঢালি এলাকার একটি ভাড়া বাসায় একসঙ্গে ছিলেন বলে ওই তরুনীর অভিযোগ।

তিনি দাবি করেন, দেড় বছর আগে ফিরোজের সঙ্গে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে তার। এরপর ফিরোজ বগুড়ার সদর মাটিঢালি এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ৩ মাস ছিলেন।

ওই কলেজছাত্রী বলেন, ‘ফিরোজ আমার বাড়িতেও একাধিকবার গেছিলেন। এলাকার সবাই তাকে জামাই হিসেবে জানে। এরপর  হঠাৎ আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন ফিরোজ। ফলে তার গ্রামের বাসায় এসেছি। কিন্তু এখানে এসে জানতে পারছি, ফিরোজ বিবাহিত। তিনি আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।’

এমনটা শুনে বিয়ের দাবিতে শনিবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে ফিরোজের গ্রামের বাসায় অনশন শুরু করেন ওই কলেজ ছাত্রী। এ সময় কৌশলে সটকে পড়েন ফিরোজ। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক পর তার পরিবারের লোকজন ওই তরুণীকে বাসা থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরে থানায় গিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। এদিন ফিরোজের পরিবারের লোকজন তার শরীরে হাত তোলে বলেও অভিযোগ করেন ওই কলেজ ছাত্রী।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ফিরোজের বাবা আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, ওই তরুনীর গায়েও হাত তোলা হয়নি। জোরপূর্বক বাড়ি থেকে তাড়িয়েও দেয়া হয়নি। স্বেচ্ছায় সে আমার বাড়ি থেকে চলে গেছে।

আব্দুল খালেক বলেন, ‘আমার ছেলে বগুড়ায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা করে। কিছুদিন আগে ছেলের বিয়ে দিয়েছি। শনিবার হঠাৎ লালপুর থেকে এক মেয়ে আমার বাড়িতে আসে।’

এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, ওই কলেজছাত্রী থানায় এসে কান্নাকাটি শুরু করে। পরে তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত শুনে থানায় একটি অভিযোগ নেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
এক ক্লিকে বিভাগের খবর